Skip to main content

চিকুনগুনিয়া রিসার্চঃ সহযোগী রিসার্চারদের (Research Assistant) সিলেকশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন

চিকুনগুনিয়া রিসার্চ প্রজেক্টে সহযোগী রিসার্চার (Research Assistant) পজিশনের জন্য স্ক্রিনিং শেষে সিলেকশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। যারা নির্বাচিত হয়েছেন তাদেরকে ইমেলে জানানো হয়েছে। দেশের ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অত্যন্ত উতসাহী স্টুডেন্টরা (৬০+) চিকুনগুনিয়া প্রজেক্টে কন্ট্রিবিউট করার উদ্দেশ্যে এপ্লিকেশন করে। এর মধ্যে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্টরা সব থেকে বেশী সিভি জমা দেয়। আমি সেখানে শিক্ষকতা করতাম এবং রিসার্চের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে ক্লাসে বেশ আলোচনা করতাম। এজন্য ব্যক্তিগতভাবে আমি আনন্দিত। বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয় আইইউবি থেকেও ভাল রেসপন্স পেয়েছি। এদের বেশ কয়েকজন সিভি জমা না দিলেও ব্যক্তিগতভাবে আমাদের দেখা করে টিম বানিয়েছে।

দেশের প্রয়োজনে ইয়াং স্টুডেন্টদের কন্ট্রিবিউট করার প্রচন্ড আগ্রহ আমাদেরকে আশা জাগায়, অনুপ্রাণিত করে। এই স্টুডেন্টদের মধ্য থেকে সম্ভবত কয়েকজন ভবিষ্যতে ভালমানের বিজ্ঞানী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবেন।তারা যেন সেই লেভেলে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে সেজন্য আমরা মেন্টর হিসেবে তাদের জন্য কাজ করে যাবো। নির্বাচিতদের জন্য অভিনন্দন।

Comments

Unknown said…
এখনো কি এড হওয়া যাবে?কিভাবে এড হব?

Popular posts from this blog

বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ ফাউন্ডেশন (BRF) এর চিকুনগুনিয়া রিসার্চ ফোকাস

২০০২ সালের আগ পর্যন্ত বিশ্বের ট্রপিক্যাল এলাকাগুলো মূলত বিচ্ছিন্নভাবে চিকুনগুনিয়ার আউটব্র্যাক হয়েছে। সেগুলো তেমন ভয়াবহ ছিল না। আগে এডিস এজিপ্টাই (গৃহ-পালিত) প্রজাতির মশার মাধ্যমে বাহিত হয়েছে। চিকুগুনিয়া ভাইরাসের মিউটেশনের কারনে এই ভাইরাসটি এডিস এলবোপিক্টাস প্রজাতির মশাতে এডাপ্ট করেছে। ২০০২ সালের পর থেকে যত পাওয়াফুল আউটব্র্যাক হয়েছে এর মূলে রয়েছে এই প্রজাতির মশাটি। এরা সাধারনত বাসার বাইরে (গাছের গর্তে, টায়ার, ডাবের খোলস, প্লাস্টিক কন্টেইনার ইত্যাদি) ব্রিড করে। এটির কারনে ২০০৬ সালে সাউথ ইন্ডিয়াতে প্রায় ১১ মিলিয়ন মানুষ সংক্রামিত হয়। পাবলিক ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছিল। আমাদের দেশে ২০০৩ সালে শক্তিশালী ডেংগু আউটব্র্যাকের মূলেও এডিস এলবোপিক্টাস দায়ী। আমার বিশ্বাস এবারের এপিডেমিক বা আউটব্র্যাকে মূলে এই মশাটি দায়ী। অপরিকল্পিত নগরায়ন, দুর্বল হেলথ সিস্টেমের কারনে যেকোন উন্নয়নশীল দেশের জন্য এধরনের আউটব্র্যাক বা মহামারী কন্ট্রোল করা অনেক দুরুহ ব্যাপার। তাই শুধু শুধু সরকারকে দোষারূপ করে লাভ নেই। এটি অনেক বছরের আমাদের দুর্বল সিস্টেমের কনসিকুয়েন্স। তাছাড়া আমরা এখনো সুনাগরিক হতে পারিনি। যেখানে-সেখানে ময়ল

চিকুনগুনিয়া গবেষণা নিয়ে বিআরএফ এর নামে মিথ্যাচার

সম্প্রতি চিকুনগুনিয়া নিয়ে বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ ফাউন্ডেশনের চলমান সমীক্ষা ও গবেষণা নিয়ে কতপয় ব্যক্তি ফেইসবুকে মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা ইতোমধ্যে দুইটি আইডি রিপোর্ট করেছি এবং সেগুলো রিপোর্ট করার পর থেকে আর দেখা যাচ্ছে না। ধারণা করা যায় ফেইসবুক কর্তৃপক্ষ ফেইক আইডিগুলো বন্ধ করে দিয়েছে। ইতোপূর্বে সেসব আইডি থেকে বিভিন্ন সময়ে করা আমাদের পোস্টগুলো কপি করে তার মধ্যে মিথ্যা তথ্য সংযুক্ত করে আবার ফেইসবুকে ছড়িয়েছে। এতে করে অনেকের মনে সন্দেহ ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। আমরা উল্লেখ করতে চাই যে চিকুনগুনিয়া গবেষণা নিয়ে বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ ফাউন্ডেশন কোন ফান্ড সংগ্রহ করছে না। অংশগ্রহণকারি গবেষক ও রিসার্চ সহকারিবৃন্দ ভলান্টারি উদ্যোগে কাজ করছেন। বাংলাদেশে বা বিদেশে যদি চিকুনগুনিয়া নিয়ে আমাদের নাম ব্যবহার করে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ফান্ড চায় তাহলে ধরে নিন তারা ১০০% প্রতারক। বিআরএফ এবং চিকুনগুনিয়া নিয়ে আমাদের প্রচার মাধ্যমগুলো নীচে দেয়া হলোঃ অফিসিয়াল ওয়েব পেইজ http://brfbd.org অফিশিয়াল ব্লগ http://blog.brfbd.org ফেইসবুকে বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ ফাউন্ডেশন https://www.facebook.c