Skip to main content

চিকুনগুনিয়া রিসার্চঃ সহযোগী রিসার্চারদের (Research Assistant) সিলেকশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন

চিকুনগুনিয়া রিসার্চ প্রজেক্টে সহযোগী রিসার্চার (Research Assistant) পজিশনের জন্য স্ক্রিনিং শেষে সিলেকশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। যারা নির্বাচিত হয়েছেন তাদেরকে ইমেলে জানানো হয়েছে। দেশের ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অত্যন্ত উতসাহী স্টুডেন্টরা (৬০+) চিকুনগুনিয়া প্রজেক্টে কন্ট্রিবিউট করার উদ্দেশ্যে এপ্লিকেশন করে। এর মধ্যে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্টরা সব থেকে বেশী সিভি জমা দেয়। আমি সেখানে শিক্ষকতা করতাম এবং রিসার্চের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে ক্লাসে বেশ আলোচনা করতাম। এজন্য ব্যক্তিগতভাবে আমি আনন্দিত। বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয় আইইউবি থেকেও ভাল রেসপন্স পেয়েছি। এদের বেশ কয়েকজন সিভি জমা না দিলেও ব্যক্তিগতভাবে আমাদের দেখা করে টিম বানিয়েছে।

দেশের প্রয়োজনে ইয়াং স্টুডেন্টদের কন্ট্রিবিউট করার প্রচন্ড আগ্রহ আমাদেরকে আশা জাগায়, অনুপ্রাণিত করে। এই স্টুডেন্টদের মধ্য থেকে সম্ভবত কয়েকজন ভবিষ্যতে ভালমানের বিজ্ঞানী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবেন।তারা যেন সেই লেভেলে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে সেজন্য আমরা মেন্টর হিসেবে তাদের জন্য কাজ করে যাবো। নির্বাচিতদের জন্য অভিনন্দন।

Comments

ikram irfan said…
এখনো কি এড হওয়া যাবে?কিভাবে এড হব?

Popular posts from this blog

চিকুনগুনিয়া রিসার্চঃ প্রসংগ আগামী দিনের রিসার্চার

চিকুনগুনিয়া রিসার্চ প্রজেক্টের রিসার্স এসিস্টেন্ট পজিশনের জন্য সিভি রিভিউ করলাম। ফিমেল ক্যান্ডিডেট তুলনামূলকভাবে বেশী এপ্লাই করেছে। তাদের একাডেমিক রেজাল্টও ভাল। আনন্দ লাগে যখন দেখি যে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের আমার বেশ কিছু প্রাক্তন স্টুডেন্ট এপ্লাই করেছে। সেখানে থাকতে ক্লাসের একটি অংশ থাকত রিসার্চে মটিভেইটমূলক আলোচনা। আইইউবি'তেও রিসার্চ নিয়ে ক্লাসে অনেক ডিসকাস করে থাকি। রিসার্চ করা কেন দরকার তা রিয়েল লাইফের স্টোরি দিয়ে বুঝানোর চেষ্টা থাকে। আইইউবি'তে আমার ক্লাসের বেশ কিছু স্টুডেন্ট চিকুনগুনিয়া প্রজেক্টে অংশ নিতে আগ্রহী।
টোটাল সিভি পড়েছে ৬০ টির মত। এদের মধ্য থেকে হয়ত বেশ কয়েকজন ভালমানের বিজ্ঞানী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। এগুলো নির্ভর করবে ডেডিকেশন এবং ধৈর্য্যের উপর। আমরা তাদেরকে অনেকদূর পর্যন্ত গাইড করতে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের ওভারঅল টিমে মাল্টি-ডিসিপ্লিনারি ফিল্ডের বেশ ভালমানের বিজ্ঞানী রয়েছেন। আগ্রহী এবং ডেডিকেটেড স্টুডেন্টরা চাইলে অনেক ধরনের স্কিল অর্জন করতে পারবে। এরা পিএইচডি করে দেশে ফিরলে তারা যেন সহজে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে সেজন্যও আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে। দেশ-সমাজ পরিবর্তন কর…

থ্যালাসেমিয়া ন্যাশনাল ইস্যু সৃষ্টিতে BRFএর রিসার্চ ইফোর্ট কী ভাবে পার্ট হলো?

Posting on behalf of Dr. Sorowar Hossain

সিঙ্গাপুর ১০+ বছর রিসার্চ লাইফ কাটিয়ে দেশে ফিরে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে জয়েন করি। যেহেতু সিংগাপুরের ল্যাব রিলেটেড স্কিল দেশে এপ্লাই করার স্কোপ নেই, তাই শুরু থেকে পাবলিক হেলথ ফিল্ডে ফোকাস করি। দেশের হেলথ সেক্টর অজানা, অপরিচিত ছিল। ইমেলে randomly যোগাযোগ করে বারডেমের ড তানভীরা সুলতানা (Tanvira Afroze Sultana) আপার সাথে যোগাযোগ হয়। আমরা দুজনে ব্লাড ক্যান্সার নিয়ে কাজ করি। ডাটা এনালাইসিস করতে গিয়ে দেখা গেল এনাফ ডাটা নেই। অন্য কোন প্রতিষ্ঠানকে জড়িত করা যায় কিনা তা তানভীরা আপাকে জানালাম। তিনি হেমালোজিস্টদের একটি মিটিং এ নিয়ে গেলেন। সেই মিটিং-এ প্রফেসর মনজুর মোরশেদ স্যারের সাথে পরিচয় হলো। অবশেষে ব্লাড ক্যান্সার সংক্রান্ত ৫০০০ কেইস এনালাইসিস করে প্রথম পাবলিকেশন হলো যেখানে ১৪টি প্রতিষ্ঠান জড়িত ছিল! তখনও থ্যালাসেমিয়ার সম্পর্কে কিছুই জানতাম না। তানভীরা আপা মাঝে মাঝে থালাসেমিয়া ইস্যু নিয়ে আপসোস করতেন। কিন্তু আমি এটির সিরিয়াসনেস সম্পর্কে জানতাম না।

আমাদের ব্লাড ক্যান্সার পেপারটি পাবলিশ হওয়ার পর নেটওয়ার্ক বেড়ে গেল। প্রফেসর মোরশেদ স্যার এবং কিছু হেমাটোলজিস…

শিশুদের ওবিসিটি বা স্হূলতা নিয়ে মায়েদের ধারণা সম্পর্কিত গবেষণার ফল প্রকাশিত হল

জেলা শহর লেভেলে প্রায় ৬৫% মা শিশুদের স্থূলতাকে কোন সমস্যা মনে করেন না বা এ সম্পর্কে কোন ধারণা নেই।মা'দের ধারণা অনুযায়ী মাত্র ৩% শিশু মোটা বা মোটা টাইপের কিন্তু বাস্তবে দেখা গেছে জামালপুর শহরে এই বয়স গ্রুপে ১৪% শিশু স্থূল (Overweight/obese)। প্রায় ৭০% মায়েরা জানেন না শিশুর স্থূলতার কারণে ভবিষ্যতে কী কী অসুখ শরীরে বাসা বাঁধতে পারে।
ঢাকা, জানুয়ারি ১২, ২০১৯:  শিশুদের ওবিসিটি বা স্হূলতা যে একটি স্বাস্থ্য সমস্যা সেটি নিয়ে আমাদের দেশে মায়েদের ধারণা খুবই কম। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে ৬৫% মা মনে করেন শিশুদের স্হূলতা কোন স্বাস্থ্যগত সমস্যা নয়। রিপোর্টটি ইন্টারন্যশনাল জার্নাল অফ এনভারমেন্টাল রিসার্চ এন্ড পাবলিক হেলথ নামক আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। 
বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে জামালপুর শহরে পরিচালিত একটি জরিপের ফলাফল থেকে এই তথ্য জানা গিয়েছে। জামালপুর শহরের ১২টি স্কুলে স্ট্র্যাটিফাইড স্যামপ্লিং করে সেকুল্যার স্কুল এবং নুরানী মাদ্রাসার ৪ থেকে ৭ বছর বয়সী শিশু এবং তাদের মায়েদের এই গবেষণায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়। মোট ৬৫০ জন মা এবং তাদের বাচ্চারা এতে অংশগ্রহ…